নোয়াখালীতে যুবদল নেতাকে হত্যার অভিযোগে মামলা

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাত ১টার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ডোবায় লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

মুহাম্মদ হানিফ ভুঁইয়া, নোয়াখালী অফিস

Location :

Noakhali
নিহত আজাদ হোসেন
নিহত আজাদ হোসেন |নয়া দিগন্ত

নোয়াখালীর কবিরহাটে গভীর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আজাদ হোসেন (৩৪) নামে এক যুবদল নেতাকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) নিহতের বোন লাভলী বেগম এ ঘটনায় কবিরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় এজাহারনামীয় দুই আসামি ও অজ্ঞাত পরিচয় আরো তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে আজাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আজাদ ওই গ্রামের মরহুম ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাত ১টার দিকে আজাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ডোবায় লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিকভাবে মাদক সেবনে বাধা দেয়া বা আড্ডাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, তার চাচাতো ভাই ফারুক (৪০) ও নিজাম (৩৬) তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ বাড়ির পাশে ডোবায় ফেলে গুমের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন বলে দাবি স্বজনদের।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কবিরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: শরীফুল ইসলাম বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের উপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বোন দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।