মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে খাদিজা আক্তার মুন্নী (২০) নামে এক গৃহবধুকে হত্যার পর লাশ ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাত ২টার দিকে উপজেলার সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নের কয়রাপাড়া গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের দাবি, মুন্নীকে গলা টিপে হত্যা করে রাতেই পালিয়ে গেছেন স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা।
জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে সেনারামপুর গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে মুন্নীর সাথে কয়রাপাড়া মস্ত মিয়ার ছেলে মো: সোহাগ মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে সোহাগসহ তার পরিবারের সদস্যরা মুন্নীর ওপর বিভিন্ন অযুহাতে নির্যাতন করত।
সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোহাগের চাচা খাদিজার বাড়িতে ফোন দিয়ে জানান, খাদিজা অসুস্থ, তাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যেতে। খবর পেয়ে রাতেই কয়রাপাড়া যান মুন্নীর পরিবারের সদস্যরা। গিয়ে দেখেন মুন্নীর লাশ ঘরের মেঝেতে ফেলে রেখে স্বামী সোহাগসহ বাড়ির সদস্যরা পালিয়ে গেছেন।
পরে পুলিশকে ফোন দিলে রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মুন্নীর লাশ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে রাতেই লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যপারে থানায় এখনো অভিযোগ দেয়া হয়নি। তবে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহতের পরিবার। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।


