ভোলার চরফ্যাসন প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে মামলার কারণে চৌকি আদালতে আসতে হয়। বর্ষার মৌসুমে আদালতে আসা জনগণের দুর্ভোগের শেষ নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় আদালত চত্বর ভবন। এতে হাটু পরিমাণ পানি পেরিয়ে আদালতে আসা জনগণের দুর্ভোগের শেষ নেই। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে দাবি ভুক্তভোগীদের।
এ দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না আদালতের আইনজীবী ও তাদের সহকারীরাও। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে শিকার হন আদালতে আসা নারীরা। হাঁটু পানি উপক্রম করে আদালত চত্বরে নারীদের আসা সবচেয়ে বেশি কষ্টকর হয়।
চরফ্যাসন চৌকি আদালতে সিনিয়র চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, সহকারী জজ কোর্ট ও যুগ্ম জজ কোর্টসহ মোট তিনটি কোর্টে প্রতিদিন হাজারো মানুষ আসতে হয়। বিভিন্ন মামলার বাদী-বিবাদী সাক্ষী থাকার কারণে নিয়মিত জনগণের চাপে সরগরম থাকে আদালত চত্তর। তবে বৃষ্টি হলেও আদালত চত্তরে জমে হাঁটু সমান পানি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর মেয়রের দায়িত্বে থাকা রোমানা আফরোজ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা পৌর কর্তৃপক্ষ এ বিষয়টি নিরসনে বসেছি। অতি দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে বরাদ্দ পাওয়ার পরই কাজ শুরু হবে। এতে করে আদালত চত্বরের জলাবদ্ধতা নিরসন হবে বলে বিশ্বাস করি।’
চরফ্যাসন আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট রমিজ উদ্দিন বলেন, ‘ভোলা জেলার চরফ্যাসন চৌকি আদালতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ সেবা নিতে আসে। সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটু পরিমাণ পানি হওয়ায় আদালতে আসা মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। বিষয়টি পৌর কর্তৃপক্ষের নজরে এনে আদালত চত্বরে চতুর্দিকে ড্রেনেজ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করলে এ জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।’
চরফ্যাসন পৌরসভার প্রকৌশলী শামীম আহমেদ বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে আদালত ভবনের চতুর্দিকে ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিকট বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। বরাদ্দ আসলেই চতুর্দিকে ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু হবে এবং এ জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।’


