তাহিরপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু

গত ২৬ জুলাই সকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আব্দুস সালামের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও মারধর করে মধু মিয়া, আবুল কাশেম, আব্দুস সালাম, সাফিয়া বেগম, শের আলী, জেসমিন বেগম ও বিপ্লবকে গুরুতর আহত করে।

Location :

Tahirpur

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত মধু মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যোল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের সুন্দর পাহাড়ী গ্রামের আব্দুস সালামের পরিবারের সাথে একই গ্রামের আব্দুল হাইয়ের পরিবারের জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিনের। এ বিরোধ নিয়ে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ জুলাই সকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আব্দুস সালামের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও মারধর করে মধু মিয়া, আবুল কাশেম, আব্দুস সালাম, সাফিয়া বেগম, শের আলী, জেসমিন বেগম ও বিপ্লবকে গুরুতর আহত করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মধু মিয়া, আবুল কাশেম ও সাফিয়া বেগমের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। অন্যদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

ঘটনার পরদিন আহত আব্দুস সালাম বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে আব্দুল হাই, তার ছেলে উজ্জ্বল মিয়া, মাসুক মিয়া, রহিম মিয়া, নয়ন মিয়া, জাকির মিয়া, ফরিদ মিয়া ও মেয়ে শেফালী বেগমের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

এদিকে টানা ১২ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন হামলায় আহত মধু মিয়া। বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য র‌্যাবের সহায়তায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।