জুলাইয়ের চেতনায় প্রজন্মের জাগরণ, চুনতীতে ডিএফসির বিতর্ক প্রতিযোগিতা

ডিবেটার্স ফোরাম অব চুনতীর উদ্যোগে চুনতী এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

Location :

Lohagara
বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দিচ্ছেন অথিথিরা
বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দিচ্ছেন অথিথিরা |নয়া দিগন্ত

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতীতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যুক্তিবাদী চিন্তাচর্চা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং সচেতন নাগরিকত্বের চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে ডিবেটার্স ফোরাম অব চুনতীর (ডিএফসি) উদ্যোগে ‘জুলাইয়ের জাগরণে বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে এই ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতার জুনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে চুনতী উচ্চ বিদ্যালয়। সিনিয়র বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় ফাতেমা বতুল মহিলা মাদরাসা এবং রানারআপ হয় চুনতী মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেটার্স ফোরাম অব চুনতীর সভাপতি এ বি এম গোলাম রব্বানী ও সঞ্চালনায় ছিলেন আব্দুল্লাহ কাফি।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিনহাজুল আবরার, নয়া দিগন্তের স্টাফ রিপোর্টার ও প্রিয় সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সম্পাদক আরফাত হোছাইন বিপ্লব, আয়কর আইনজীবী কুতুবউদ্দিন, অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ শোয়াইব, চুনতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, চুনতী মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হক এবং ডিএফসির উপদেষ্টা আবু বকর সামিতসহ অন্য অতিথিরা।

প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ডিবেট বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইমরানুল হক, ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশনের (চট্টগ্রাম জোন) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: ইমরান এবং বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুহু রুহেল।

প্রতিযোগিতায় চুনতী অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে যুক্তি, তথ্য, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার দক্ষতায় নিজেদের সামর্থ্যের পরিচয় দেন। অনুষ্ঠান জুড়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

আয়োজকরা জানান, ‘জুলাইয়ের জাগরণে বিতর্ক প্রতিযোগিতা’ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়; বরং এটি নতুন প্রজন্মের মধ্যে যুক্তিনির্ভর চিন্তা, সহনশীল মতবিনিময়, নেতৃত্বের বিকাশ এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের চর্চাকে উৎসাহিত করার একটি সামাজিক উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চুনতীতে বিতর্কচর্চাকে আরো সমৃদ্ধ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দল এবং কৃতী বিতার্কিকদের হাতে ট্রফি, সনদ ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়।