কেন্দুয়ায় লোডশেডিং ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে অসহায় গ্রাহকরা

একদিকে লোকশেডিং আর অন্যদিকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের কারণে আস্থা হারাচ্ছেন গ্রাহকরা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম, তাই লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানায় বিদ্যৎ অফিস।

আবু বকর ছিদ্দিক, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)

Location :

Kendua Upazilla
পল্লী বিদ্যুতের কেন্দুয়া জোনাল অফিস
পল্লী বিদ্যুতের কেন্দুয়া জোনাল অফিস |নয়া দিগন্ত

ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ের পরেও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে অসহায় হয়ে পড়েছেন কেন্দুয়ার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা। প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে। অথচ স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ বিল বেশি আসছে। এমনকি মাসের পর মাস লাইট, ফ্যান বন্ধ থাকলেও মিটারে তিন থেকে চারগুণ বিল বেশি কষা হচ্ছে। ফলে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। তার ওপর আবার অস্বাভাবিক বিলে অসহায় হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা।

অফিসে গেলে সাত-পাঁচ বুঝিয়ে দেয়া হয় গ্রামের সহজ-সরল গ্রাহকদের। ফলে বিদ্যুতের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতা কাজ করছে।

উপজেলার পৌরসদরের মদিনাবাগ মহল্লার মন্জুরা আক্রান্ত লিলি বলেন, ‘অন্য মাসের চেয়ে গত মাসে আমার বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি এসেছে। এরকম অস্বাভাবিক বিলের শিকার অসংখ্য গ্রাহক।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে পৌর সদরের টেংগুরী মহল্লার হৃদয় চাঁদ বলেন, ‘একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে অস্বাভাবিক বিল, এমন যন্ত্রণাদায়ক বিদ্যুৎ মানুষের দরকার নাই।’

পল্লী বিদ্যুতের কেন্দুয়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী ওমর ফারুক বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম, তাই লোডশেডিং হচ্ছে। আর অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে যারা আসছেন, যাচাই করে তাদের বিল সমন্বয় করা হচ্ছে।‘