কেসিসি প্রশাসক

ছাত্র-জনতা জীবন দিয়ে দেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে গেছেন

খুলনা সিটি করপোরেশনে বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় নগর ভবন চত্বরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে খুলনা সিটি করপোরেশন এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

খুলনা ব্যুরো

Location :

Khulna
খুলনা সিটি করপোরেশনে নগর ভবন চত্বরে কেসিসি প্রশাসক
খুলনা সিটি করপোরেশনে নগর ভবন চত্বরে কেসিসি প্রশাসক |নয়া দিগন্ত

খুলনা সিটি করপোরেশনে বুধবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় নগর ভবন চত্বরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে খুলনা সিটি করপোরেশন এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সভায় প্রধান অতিথি কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জুলাই আন্দোলন ছাত্র-জনতার আন্দোলন। একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে সহস্রাধিক ছাত্র, জনতা, শ্রমিক জীবন দিয়ে দেশে নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে গেছেন বিধায় ৫ আগস্ট আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।’

এই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রশাসক আরো বলেন, যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ছাত্র-জনতা এই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সেই আকাঙ্ক্ষা, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য মানুষ বিএনপিকে নির্বাচিত করেছে। গণমানুষের সেই আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন, ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং একটি নতুন সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্য নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন।

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল ইমরান।

জুলাই আন্দোলনে শহীদ শেখ মো: সাকিব রায়হানের স্মৃতিচারণ করেন তার বাবা মো: আজিজুর রহমান এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কেসিসির সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মো: মনিরুজ্জামান রহিম ও সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা মো: আব্দুস সালাম ফারাজী।

আলোচনা সভা ছাড়াও দিবসটি পালন উপলক্ষে নগর ভবনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের রচনা প্রতিযোগিতা, বসুপাড়া কবরস্থানে জুলাই আন্দোলনে শহীদ শেখ মো: সাকিব রায়হানের কবর জিয়ারত, শিববাড়ী মোড়স্থ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়সমূহে কাগজের জাতীয় পতাকা দ্বারা এবং জুলাই আন্দোলনের উপর বস্তুনিষ্ঠ ও দুর্লভ চিত্রের প্যানা ও ফেস্টুন দ্বারা সজ্জিত করা হয় এবং অনুষ্ঠান শেষে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।