নেত্রকোনায় আগুনে পুড়ল ৬ দোকান ও ৩ বাসা

আগুন নিয়ন্ত্রণ না আনতে পারায় সতর্কতা ও নিরাপত্তার কারণে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ ও তিতাস গ্যাসের সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে পুরো শহর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়ে।

ফজলুল হক রোমান, নেত্রকোনা

Location :

Netrokona
বাজারে আগুন
বাজারে আগুন |নয়া দিগন্ত

নেক্রকোনায় ছয়টি দোকান ও তিনটি বাসা আগুনে পুড়ে গেছে। আগুন নেভানোর সময় ফায়ার স্টেশন অফিসার ও দুই কর্মীসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে নেত্রকোনা শহরের প্রাণকেন্দ্র বড় বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থায়ীরা জানান, শুক্রবার বাজারে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় লোকজনের উপস্থিতি তেমন ছিল না। রাত সোয়া ৯টার দিকে পাইকারি একটি প্লাস্টিকের দোকানের ভেতর থেকে হঠাৎ আগুনের কুন্ডলি দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।

অন্যদিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানো শুরু করেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকারপাট ও বাসাবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে প্লাস্টিক তৈজসপত্র, ক্রোকারিজ ও ছাতার দোকানসহ ছয়টি দোকান এবং তিনটি বাসা পুড়ে যায়।

আগুন নিয়ন্ত্রণ না আনতে পারায় সতর্কতা ও নিরাপত্তার কারণে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ ও তিতাস গ্যাসের সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে পুরো শহর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়ে।

নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসসহ ময়মনসিংহ ও বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ১০টি ইউনিট একযোগে কাজ করার পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুন নেভানোর সময় নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খানে আলম, দুই ফায়ার ফাইটার শহীদুল ইসলাম, খায়রুল ইসলামসহ অন্তত সাতজন আহত হন। আহতদের নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের কারণে প্লাস্টিকের গোদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে থাকতে পারে।

নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খানে আলম নয়া দিগন্তকে বলেন, আগুন নেভানোর সময় দুই কর্মীসহ আমরা তিনজন আহত হয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য কাজ করা হচ্ছে।