ময়মনসিংহে পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ জনের মৃত্যু

একই দিন সকাল ১০টার দিকে চর মহিশকুড়া গ্রামের বাদল মিয়া সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ লাইনের সুইচ চালু করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা

Location :

Gaffargaon
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দু’জনের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দু’জনের মৃত্যু |প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের দক্ষিণ গফরগাঁও ও নান্দাইল উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার লংগাইর ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামে ও পার্শ্ববর্তী নান্দাইল উপজেলার চর মহিশকুড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— লংগাইর ইউনিয়নের বাগড়া গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে রাতুল (১৯) ও চর মহিশকুড়া গ্রামের ফেরদৌস আলমের ছেলে বাদল মিয়া (৪৯)।

গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: নাসরিন সুলতানা মুন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগড়া গ্রামের রাতুল একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে তিনি একটি ফিশারিতে মাছের খাদ্য দিতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত ফিশারিতে বিদ্যুতায়িত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা রাতুলকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: নাসরিন সুলতানা মুন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, একই দিন সকাল ১০টার দিকে চর মহিশকুড়া গ্রামের বাদল মিয়া সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ লাইনের সুইচ চালু করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: নাসরিন সুলতানা মুন তাকেও মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় বিষয়ে নিহত রাতুলের চাচা আনিসুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ফিশারিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মনিরুজ্জামান ও পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পৃথক দু’টি ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।