উজিরপুরের ৪ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ

জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক উপমা ফারিশা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে বরিশালের তিন উপজেলার মোট ১৯টি ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে।

Location :

Wazirpur
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় |নয়া দিগন্ত

উজিরপুর (বরিশাল) সংবাদদাতা
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরিষদের কার্যক্রম সচল রাখতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আলী সুজা।

উজিরপুরের চারটি ইউনিয়ন হলো—সাতলা, জল্লা, শোলক ও বড়াকোঠা।

বরিশাল জেলা প্রশাসকের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক উপমা ফারিশা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে বরিশালের তিন উপজেলার মোট ১৯টি ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, উজিরপুরের চারটি, বাকেরগঞ্জের ১১টি এবং মুলাদীর চারটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এসব পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তাদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর সংশোধিত ২০২৪ সালের বিধান অনুযায়ী এসব ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকেরা ইউনিয়ন পরিষদের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম, নাগরিক সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জন্মনিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আলী সুজা বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রশাসকেরা দায়িত্ব পালনকালে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।’

উপজেলা প্রশাসনের প্রত্যাশা, প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে সাতলা, জল্লা, শোলক ও বড়াকোঠা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। একই সাথে এসব ইউনিয়নের বাসিন্দারা নিয়মিত ও নির্বিঘ্নে নাগরিক সেবা পাবেন।