নাটোর শহরের দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে বেদখলে থাকা প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের এক একর ৩৭ শতাংশ সরকারি জমি উদ্ধার করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) শহরের দক্ষিণ চৌকিরপাড় এলাকায় এ জমি উদ্ধার করা হয়।
হোমিওপ্যাথি কলেজসংলগ্ন মূল্যবান এ সম্পত্তিটি এতদিন স্থানীয় মহসিন আলী ওরফে সোনার দখলে ছিল।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জমিটি সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত। প্রাকৃতিকভাবে রূপান্তরিত হয়ে এটি বর্তমানে পুকুর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি অবৈধ দখলে থাকায় সম্প্রতি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে জমিটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো:
আজাহার আলী ও নাটোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ফরহাদ হোসেন।
অভিযানের সময় নাটোর পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমানসহ ভূমি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের পর উদ্ধার করা জমির চারপাশে লাল নিশানা টানিয়ে দেয়া হয়। একই সাথে জমির ওপর জেলা প্রশাসকের মালিকানার সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তিটি পুনরায় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নেয়া হলো।
নাটোর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ফরহাদ হোসেন নয়া দিগন্তকে বলেন, জমিটি সরকারি এক নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত সম্পত্তি। প্রাকৃতিকভাবে রূপান্তরিত হয়ে পুকুরে পরিণত হওয়া এ জমিটি প্রায় ৩৫ বছর ধরে বেদখলে ছিল। প্রশাসনের উদ্যোগে জমিটি উদ্ধার করে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, উদ্ধার করা সম্পত্তিটি সাইরাত খাস জমি হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে লিজ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। জনস্বার্থে এধরনের অভিযান অব্যাহত


