ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ও দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার প্রধান ফটো সাংবাদিক মুঈদ খন্দকারকে হত্যার হুমকি দিয়েছে যুবলীগ নেতা ও তিতাস গ্যাস কোম্পানির ঠিকাদার আবু হানিফ ওরফে কানা হানিফ।
এই ঘটনায় গত ৪ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মুঈদ খন্দকার।
সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার কেরানীগঞ্জে চাঁদার টাকা ও অনৈতিক সুবিধা না পাওয়ায় আবু হানিফের বাড়ির পাশের বাড়ি গণমাধ্যমকর্মী শাহাদাত হোসেনের ওপর গত ২৬ জুন যুবলীগ নেতা জুয়েল হাওলাদার ও আবু হানিফ ওরফে কানা হানিফের নেতৃত্বে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী হামলা করে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তার স্ত্রী ও আট বছরের কন্যা সন্তানকে বেধড়ক মারধর করে।
খবর পেয়ে মুঈদ খন্দকার তার সহকর্মী শাহাদাত হোসেনকে হাসপাতালে চিকিৎসা করান। হামলার ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় আবু হানিফ ও জুয়েল হাওলাদারসহ ৪ জনকে আসামি করে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা ও চাঁদাবাজির মামলা করেন শাহাদাত।
সেই মামলার সাক্ষী মুঈদ খন্দকার। এতে আবু হানিফ মুঈদ খন্দকারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। ওই মামলায় সাক্ষী না দিতে চাপ সৃষ্টি করে আবু হানিফ। এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৪ জুলাই আরশিনগর বাড়ির মালিক সমিতির কার্যালয়ে মুঈদ খন্দকারকে ডেকে নিয়ে ১০-১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীসহ তার ওপর আক্রমণ করে আবু হানিফ ও জুয়েল হাওলাদার। এর প্রতিকার চেয়ে থানায় জিডি করেন ফটো সাংবাদিক মুঈদ খন্দকার।
ভুক্তভোগীরা জানান, আওয়ামী লীগ আমলে সক্রিয়ভাবে যুবলীগের রাজনীতি করতো কানা হানিফ। বর্তমানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলগুলোতেও অংশ নিতে দেখা যায় তাদের। তৎকালীন সময়ে যুবলীগের ব্যানার লাগিয়ে এলাকায় নানা অপকর্মের সাথেও যুক্ত ছিল কানা হানিফ ও জুয়েল হাওলাদার। জুয়েল হাওলাদারের বিরুদ্ধে রয়েছে বেশ কিছু ডাকাতির অভিযোগ। তাদের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় চাঁদাবাজি, হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।


