মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে তিন পার্বত্য জেলায় নতুন প্রকল্প শুরু

স্থানীয়ভাবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রিনহিল তিন পার্বত্য জেলায় প্রকল্পটির বাস্তবায়নের কাজ করছে। বিশেষ করে পাহাড়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে এই প্রকল্পের আওতায় কাজ করা হবে।

মিনারুল হক, বান্দরবান

Location :

Chattogram

তিন পার্বত্য জেলার স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে মোমেন্টাম ইন্টিগ্রেটেড হেলথ রেজিলিয়েন্স (এমআইএইচআর) নামে নতুন একটি প্রকল্প শুরু হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আর্থিক সহায়তায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে জেএসআই রিচার্স অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।

স্থানীয়ভাবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রিনহিল তিন পার্বত্য জেলায় প্রকল্পটির বাস্তবায়নের কাজ করছে। বিশেষ করে পাহাড়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে এই প্রকল্পের আওতায় কাজ করা হবে।

প্রকল্পটি চালু হওয়ায় সরকারি স্বাস্থ্য সেবাকে সহায়তার মাধ্যমে শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার অনেকাংশ কমে আসবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিন পার্বত্য জেলা ছাড়াও কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জেও প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।

রোববার সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই নতুন প্রকল্পটি সম্পর্কে অবহিতকরণ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো: সানিউল ফেরদৌস। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক, সিভিল সার্জন ডা: শাহীন হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক ডা: লেলিন তালুকদার, প্রকল্প পরিচালক সাইলু মং মারমা, গ্রীন হিল এনজিওর উপদেষ্টা ডা: অংচালু, জেলা সমন্বয়কারী শিমন আমলাই, জেএসআইর কর্মকর্তা বিলাশ সৌরভ বড়ুয়া প্রমুখ।

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে এক বছর মেয়াদী এই প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩১ হাজার ২১৪ টাকা। এতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ধাত্রী, চিকিৎসা সহকারি, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী সহ অন্যান্যরা সার্বিক সহায়তা প্রদান করবে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও মৃত্যুর হার কমাতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবে।

প্রকল্প পরিচালক সাইলু মং মারমা জানিয়েছেন, দুর্গমাতা, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, অসচেতনতা, আর্থিক সংকট, কুসংস্কারসহ নানা কারণে পাহাড়ে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার বেশি। তাছাড়া দুর্গম এলাকায় সরকারি স্থাপনা তেমনটা নেই। নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে যেসব এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার স্বল্পতা রয়েছে সেখানে প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসক ও সহকারীরা সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।