র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ এর পৃথক অভিযানে সিলেট, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক ও অনলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এসব অভিযানে ৬৬ কেজি গাঁজা ও অনলাইন জুয়ায় ব্যবহৃত ৪টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকেও গ্রেফতার করেছে র্যাব।
র্যাব-৯ জানায়, গত ১২ ও ১৩ আগস্ট সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ১৬ কেজি গাঁজাসহ মো: রনি মিয়া (২৯) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাবের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে তিনি তা নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন।
এদিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ বাজারের ওয়ারিস উল্লাহ মার্কেটে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
তারা হলেন— ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের মো: রুবেল মিয়া (২৮), গোলাপগঞ্জের প্রদীপ পাল (৩৪), মো: জাহান উদ্দিন (২৯) ও টাকু সেন (২৯)। তাদের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত চারটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাব জানিয়েছে, মোবাইল ফোনগুলো যাচাই করে অনলাইন জুয়া খেলার বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার একটি মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি নাহিদ মিয়াকে (৪০) সদর উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
এছাড়া হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হলেন— পরমেশ্বর তাতী (৪০), অরুণ তন্ত্রবায় (৫০) ও রাম তন্ত্রবায় (৪৫)। র্যাবের ভাষ্য, তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এর সত্যতা নিশ্চিত করে র্যাব-৯ এর গণমাধ্যম কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরপূর্বক উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক, অনলাইন জুয়া ও অন্যান্য অপরাধ দমনে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।


