নোয়াখালীতে আন্তঃজেলা চার ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় লুণ্ঠন করে নেয়া নগদ টাকা ও একটি লোহার স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম নাসিরুদ্দিন এক প্রেস বিজ্ঞতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞতিতে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই রাতে নোয়াখালী জেলার শ্রীপুর সাকিনস্থ জনৈক মোশারফ হোসেন ফরহাদের বসতঘরে ডাকাতরা বসতঘরের কলাপসিবল গেইটের তালা ভাঙ্গে এবং মূল কাঠের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে ডাকাতরা বাদির পরিবারের লোকজনদের মারধর ও অস্ত্রের ভীতি প্রদর্শন করে চার জোড়া কানের দুল, দুইটি স্বর্নের গলার চেইন, লকেটসহ আংটি, একটি রুপার ব্রেসলেইট, ছয়টি মোবাইল ফোন এবং নগদ সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জনৈক মোশারফ হোসেন ফরহাদ বাদি হয়ে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
গত ২ আগস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন খুলশী থানাধীন লালখান বাজারস্থ মতিঝর্ণা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত বাকের হোসেন অনুকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার পরবর্তীতে তাকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং ঘটনার বিষয়ে স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রকাশ করেন।
একই দিন নোয়াখালীর দরবেশপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত কোরবান আলী দুলালকে (৪৮) তার বসত বাড়ি হতে এবং একই দিন পশ্চিম নিরঞ্জনপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত সাইদুল হক আরিফ (২১) ও মহিবুল ইসলাম আসিফকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ডাকাত সাইদুল হক আরিফের দখল ও হেফাজত হতে দুইটি ১০০০ টাকার নোট এবং ৭৪টি ৫০০ টাকার নোট জব্দ করা হয়। এ টাকার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির ঘটনা হতে ভাগে প্রাপ্ত বলে জানায়।
পুলিশ সুপার (এসপি) এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, গ্রেফতার চারজনের বিরুদ্ধেই ডাকাতি, অস্ত্র, চুরি, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে বাকের হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি, কোরবান আলীর বিরুদ্ধে ১২টি, সাইদুল হকের বিরুদ্ধে ১১টি এবং মহিবুল ইসলাম আসিফের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া একটি কোরাবারি ও একটি ভাঙা তালাও উদ্ধার করে। গ্রেফতার আসামিদের ডাকাতির মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


