চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি, আটক ২৪

চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ৫০টির অধিক ফিশিং বোটে তাল্লাশি চালিয়ে ২৪ জনকে আটক করা হয়। আটকদের বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৩০ দিন করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

Location :

Chattogram
অভিযানে আটকরা
অভিযানে আটকরা |নয়া দিগন্ত

চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ২৪ জনকে আটক করা হয়।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, দেশের সমুদ্র বন্দর, উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে কোস্ট গার্ডের টহলরত জাহাজ বিসিজিএস সোনাদিয়া, উচ্চগতিসম্পন্ন একাধিক বোট ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দিশারী-৭ অংশ নেয়। এ সময় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর আভিযানিক দল ও বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গর ও কর্ণফুলী চ্যানেলে বাণিজ্যিক জাহাজ ও লাইটারের নিরাপদ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও বাণিজ্যিক জাহাজে ছিঁচকে চুরি প্রতিরোধে বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানরত ফিশিং বোট ও অবৈধভাবে স্থাপন করা বিভিন্ন ধরনের জাল শনাক্ত করে অপসারণ করা হয়। এসব অবৈধ জালের কারণে নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ সময় বহিঃনোঙ্গরে অবৈধভাবে অবস্থানরত ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি করে সর্বমোট ২৪ জন জেলেকে আটক করা হয় ও আটক ব্যক্তিদের বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ৩০ দিন করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর ও এর বহিঃনোঙ্গরে দেশী-বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজ ও লাইটারের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত, সামুদ্রিক বাণিজ্য ও নৌপথ সচল রাখা এবং ছিঁচকে চুরি ও অবৈধ জাল স্থাপনসহ যে কোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।’