গোয়াইনঘাট (সিলেট) সংবাদদাতা
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে দীর্ঘ মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন সাত বাংলাদেশী নাগরিক।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশাপাশি উভয় দেশের পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেরত আসা এ বাংলাদেশী নাগরিকরা বিভিন্ন সময়ে সিলেটের গোয়াইনঘাটের সীমান্ত এলাকা দিয়ে অসচেতনতা বা অন্য কোনো কারণে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অনুপ্রবেশের দায়ে মেঘালয় রাজ্যের পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং ডিস্ট্রিক্ট কারাগারে দীর্ঘ দিন সাজাভোগের পর, বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষের বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ আজ তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।
দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জের সদর থানার নইগাঙ থানার মো: সাদির মিয়ার ছেলে মো: মুহিবুর রহমান ও আব্দুল কুদ্দুছ, টুকের বাজার গ্রামে মরহুম শওকত আলীর ছেলে মানিক আহমেদ, চানপুর গ্রামের মরহুম আজিজুর রহমানের ছেলে মো: সুহেল আহমেদ, বনগাঁও গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে মো: আল আমিন, শাল্লা থানার শ্রীহাই গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে বাদশাহ মিয়া ও সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সংগ্রামপুঞ্জি এলাকার পুহস্টার ডেখারের ছেলে রেস্টলি ব্লাহ।
হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো: বজলুর রশিদ জানান, বিজিবি, বিএসএফ ও উভয় দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে সাত বাংলাদেশীকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে দেশে গ্রহণ করা হয়েছে। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদেরকে নিজ নিজ আত্মীয়স্বজনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।



