চকরিয়ায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

নিহতরা হলেন—চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে জসিমউদ্দীন (২৫), শিয়াপাড়া এলাকার মনজুর আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহেদ (২৭), নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে মোহাম্মদ জিয়াবুল হক (২৫) এবং ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজালিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৮)।

Location :

Chakaria

চকরিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী এসি বাসের সাথে লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো পাঁচজন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নোয়াপাড়া মাবায়তুল মামুর জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে জসিমউদ্দীন (২৫), শিয়াপাড়া এলাকার মনজুর আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহেদ (২৭), নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে মোহাম্মদ জিয়াবুল হক (২৫) এবং ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজালিয়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোহাম্মদ রফিক (২৮)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঈদগাঁও থেকে যাত্রীবাহী লেগুনাটি চকরিয়ার দিকে যাচ্ছিল। খুটাখালী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সাথে লেগুনাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং এর নয় যাত্রী আহত হন।

স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও ডুলাহাজারা মালুমঘাট খ্রিস্টান হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়। আহত পাঁচজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন—খুটাখালী ইউনিয়নের জিয়াবুল হক (৪০), দেলোয়ার (৩৫), ঈদগাঁওয়ের সৈয়দ আলম (৫০) ও তাঁর ছেলে মোহাম্মদ সওয়ার (১৯) এবং টেকনাফের সৈয়দ করিম (৩০)।

ডুলাহাজারা-মালুমঘাট হাইওয়ে থানার এসআই মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়ি সরিয়ে নেয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।