চট্টগ্রামের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ডাকাতি, গ্রেফতার ৭

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ডাকাতির ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারদের একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য রাজি হয়েছে ও বাকি ছয়জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এম মাঈন উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম)

Location :

Mirsharai
গ্রেফতার ডাকাতদলের সদস্যরা
গ্রেফতার ডাকাতদলের সদস্যরা |নয়া দিগন্ত

চট্টগ্রামের জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের একটি নির্মাণাধীন ফ্যাক্টরিতে ডাকাতির ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় লুট হওয়া বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পূর্ব হিঙ্গুলী এলাকার মরহুম নুরুল আফছারের ছেলে মেহেদী হাসান (৩২), একই ইউনিয়নের মেহেদীনগর এলাকার মো: সিরাজ মিয়ার ছেলে সুজাউল হক ওরফে সুজা উল্লাহ (২৪), মরহুম ওবাইদুল হকের ছেলে এমদাদুল হক ওরফে এমরান (২৮), পূর্ব হিঙ্গুলীর হারুন অর রশিদের ছেলে মো: সাখাওয়াত হোসেন ওরফে নাহিদ (২৪), মেহেদীনগর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে মো: ইউসুফ (২৬), জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের খিলমুরারী এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে মো: রাকিব (২১) ও করেরহাট ইউনিয়নের আব্দুল মন্নানের ছেলে মিজান উদ্দিন (৩২)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডর ফ্যাক্টরিতে শনিবার রাত ২টার দিকে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা ফ্যাক্টরিতে নিয়োজিত সিকিউরিটি গার্ডের তিনটি মোবাইল ফোন, ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যান। এই ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ থানায় একটি মামলা করে। পরে অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাত ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয় ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, ‘অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ফ্যাক্টরিতে ডাকাতির ঘটনায় ৩২ ঘন্টার অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেফতার ও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারদের একজন মো: ইউসুফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য রাজি হয়েছে। বাকি ছয়জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

এর আগে, গত শনিবার রাত ২টার দিকে অর্থনৈতিক অঞ্চলের অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডর ফ্যাক্টরিতে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি ডাকাতদল হানা দেয়। ডাকাতরা ২৫০ মিটার বৈদ্যুতিক তার ও তিনটি মোবাইল ফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল লুট করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা করা হয়।