ঝালকাঠিতে কালেক্টরেট স্কুল ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানেই নেই শতভাগ পাশ

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানান, কালেক্টরেট স্কুল থেকে ১৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাশ না করার বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্টরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Location :

Jhalokati
কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ
কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ |নয়া দিগন্ত

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন পরিচালিত কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই শতভাগ পাশ অর্জন করতে পারেনি। বার বার দেশ সেরা হবার গৌরব অর্জনকারী ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী এনএস কামিল মাদরাসার এ বছর পাশের হার ৯০ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এছাড়াও জেলার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাশের হার শূন্য কোঠায়। এ নিয়ে জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন পরিচালিত কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ‎পরিক্ষায় ১৩ জন অংশ নিয়ে শতভাগ উত্তীর্ণ হয়েছে। তবে জিপিএ-৫ পায়নি কেউ।

‎ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ২৭৯ জন অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৫২ জন ও অকৃতকার্য ২৭ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন ও বাকিরা সবাই বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মাদরাসাটির পাশের হার ৯০ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

ঝালকাঠি সরকারি হরচন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪৮ জন পরিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ‎পাশ করেছে ২৩৫ জন। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। ফেল করেছে ১৩ জন ও অনুপস্থিত ছিল একজন। ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় থেকে ‎পরিক্ষার্থী ছিল ২১৯ জন। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ ১৮৭ জনের মধ্যে ‎জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩১ জন। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ফেল করছে ৩২ জন।

উদ্বোধন বহুমূখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১১৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও ‎পাশ করেছে ৬৬ জন। তাদের মধ্যে একজন ‎জিপিএ-৫ পেয়েছে ও অকৃতকার্য হয়েছে ৪৯ জন। এ বিদ্যালয়ের কারিগরি শাখা থেকে ২৮ জনের মধ্যে ‎পাশ করেছে ১৭ জন। ঝালকাঠির ‎সুগন্ধা পৌর আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৩৪ জন পরিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২৪ জন কৃতকার্য হয়েছে।

ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: বশির গাজী বলেন, ‘কালেক্টরেট স্কুল থেকে ১৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জন ৪.৯৪ পেয়েছে। চেষ্টা করতেছি ভালো কিছু করার। তবে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাশ না করার বিষয়টি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। জেলা শিক্ষা অফিসের সংশ্লিষ্টরাও এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।’