ইবি প্রতিনিধি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্রমবর্ধমান প্রভাব, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারটির শিরোনাম ছিল ‘শেপিং আওয়ার ফিউচার: প্রিপেয়ারিং আওয়ারসেলভস টু থ্রাইভ ইন দ্য এরা অব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’।
ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইইই) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ ও আইসিটি ইবি অ্যালুমনাই অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে সেমিনারটির আয়োজন করে। এতে কারিগরি সহায়তা দেয় স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব আইসিটি (এসএআইসিটি) ও এনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি (ইডিজিই) প্রকল্প।
আইইইই ইবি স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের কাউন্সেলর প্রফেসর ড. মো: জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো: এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: আতিকুর রহমান।
সেমিনারে এআইয়ের ব্যবহার, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন জার্মানির টিএইচএম ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেসের প্রফেসর ড. রহমতউল্লাহ খন্দকার। এছাড়া ‘নেক্সট জেনারেশন সিগন্যাল প্রসেসিং ইন দ্য সিক্স-জি এরা’ বিষয়ে বক্তব্য দেন ইবির আইসিটি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির প্রভাব দ্রুত বাড়ছে। তাই তরুণদের যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। নতুন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ ও স্টার্টআপ গড়ে তুলে শিক্ষার্থীদের নিজেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বাত্মক সহায়তা করবে।’
একই সঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে প্রশাসন কাজ করছে বলে জানান তিনি।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।


