উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমান |সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার করে বিভ্রান্তির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে প্রচার করা হয়েছে।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘যখন গ্যাস কমে যায়, বাসাবাড়িতে অনেকে ইলেক্ট্রিক চুলা ব্যবহার করা শুরু করেছে। একইসাথে যেসব শিল্পে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল, মানে তারা সরকার থেকে গ্যাস নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজে চলত, তারা এখন আমাদের গ্রিডের যে বিদ্যুৎ সেটা ব্যবহার করা শুরু করেছে। ফলে গ্যাসের সঙ্কটের কারণে বিদ্যুতের চাহিদাও অনেক বেড়ে গেছে।’

বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, তার মূল বক্তব্যের খণ্ডাংশ বিকৃতভাবে প্রচার করেছে একটি গণমাধ্যম।

ওই গণমাধ্যমটি শিল্প খাতের বিষয়টি বাদ দিয়ে কেবল সাধারণ মানুষের ‘ইলেকট্রিক চুলা’র অংশটি উল্লেখ করেছে। ফলে মনে হতে পারে, উপদেষ্টা ইলেক্ট্রিক চুলার ব্যবহারকে লোডশেডিংয়ের জন্য দায়ী করেছেন। অথচ মূল বক্তব্যে তিনি বিদ্যুতের ওপর চাপ বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করছিলেন।

ওই গণমাধ্যমটির ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, উপদেষ্টা বলেছেন ‘গ্যাস সঙ্কটের জন্য বাসা-বাড়িতে রান্না করতে অনেকে ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহার করছেন। ফলে বিদ্যুতের ওপর চাপ বেড়ে যাওয়ায় লোডশেডিং হচ্ছে।’

ইউটিউবে প্রেস ব্রিফিংয়ের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিওর চার মিনিট থেকে পুরো বক্তব্যটি রয়েছে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকাল সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।

‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট। বাসস