পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে পরিবেশগত প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
তিনি বলেন, শিল্পের বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) পরিবেশ অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পখাতের পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান লিখিত প্রস্তাবে এসব বিষয়সহ শিল্পখাতের পরিবেশগত অনুবর্তিতার বিভিন্ন কারিগরি ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রফতানি আয়ে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
একইসাথে এই শিল্পের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরো পরিবেশবান্ধব, সম্পদ-সাশ্রয়ী এবং টেকসই করতে পরিবেশগত আইন ও বিধিমালার যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা জরুরি।
পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্য অক্ষুণ্ন রেখে শিল্পের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার সাথে শিল্পের টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় জরুরি।
পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ, পানি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বাস্তবায়নযোগ্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে তা অর্জন করার আহ্বান জানান তিনি।
তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পখাতের পরিবেশগত অনুবর্তিতা আরো শক্তিশালী করতে মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদফতর, শিল্প সংগঠন ও অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে আলোচনা ও কারিগরি সমন্বয় অব্যাহত থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।
অন্যদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদফতর এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। বাসস


