গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে ইবোলা ভাইরাসে দুই হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ৩৮১ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে দুই হাজার ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সার্বিকভাবে মৃত্যুর হার ৪৫ দশমিক ৯ শতাংশ।
এই মহামারীটি পাঁচটি প্রদেশের ৫৩টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রদেশগুলো হলো ওত-উয়েলে, ইতুরি, উত্তর কিভু, দক্ষিণ কিভু ও তশোপো।
বুন্দিবুগিও ভাইরাস স্ট্রেইনের কারণে সৃষ্ট এই মহামারীর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ইতুরি রয়ে গেছে, যেখানে সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।
গত সোমবার ইতুরির প্রাদেশিক রাজধানী বুনিয়াতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আফ্রিকা অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াকুব জানাবি বলেন, প্রায় ৬০ শতাংশ থেকে ৭০ শতাংশ মৃত্যুর ঘটনা চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোর বাইরে ঘটছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে যা অনুমান করা হয়েছিল তার চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসটি।
এখন পর্যন্ত বুন্দিবুগিও ভাইরাসের জন্য কোনো ভ্যাকসিন বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা অনুমোদিত হয়নি। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি কারিগরি উপদেষ্টা দল র্যান্ডমাইজড ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এরভেবো ভ্যাকসিনকে অগ্রাধিকার দেয়ার সুপারিশ করেছে।
ইবোলা ভাইরাসের জন্য একমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত ভ্যাকসিন এরভেবো ভ্যাকসিনের নতুন তথ্য পর্যালোচনার পর এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি


