মক্কা চুক্তি : অস্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্যে তিন দেশের নতুন অবস্থান

এই চুক্তির এক নম্বর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকানোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়া।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রবিত্র  নগরী মক্কায় ৭ আগস্ট এক বৈঠকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এর্দোগান (বামে), সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (মাঝে) এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (ডানে)।
প্রবিত্র নগরী মক্কায় ৭ আগস্ট এক বৈঠকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এর্দোগান (বামে), সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (মাঝে) এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (ডানে)। |সংগৃহীত

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তি মূলত একসাথে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার এক বড় স্বীকৃতি।

আল জাজিরা (৮ আগস্ট) উল্লেখ করা হয়েছে, অস্থিতিশীল সময়ে নিজদের নিরাপত্তা জোরদার করতে 'আঞ্চলিক বহুপক্ষীয় জোটবদ্ধতার' বা নতুন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জরুরি তাগিদ থেকেই এই তিন দেশ একসাথে অবস্থান নেয়া শুরু করেছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বাথের প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক প্যাট্রিক বুরি চুক্তিটি বিশ্লেষণ করে জানান, 'এই চুক্তির এক নম্বর উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকানোর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়া।' একই সাথে গত প্রায় তিন বছর ধরে চরম উত্তপ্ত ও অস্থিতিশীল হয়ে থাকা পুরো অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতি ফিরিয়ে আনাও এই সমঝোতার বড় লক্ষ্য।

তবে প্যাট্রিক বুরি আরো সতর্ক করে বলেছেন, এই জোটের শক্তিমত্তা 'খুব দ্রুতই পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে'। হুতিরা যদি আবারো সৌদি আরবের ওপর নতুন করে আক্রমণ শুরু করে কিংবা ইরান যদি তাদের হামলা আবারো চালু করে, তবেই পরখ করা যাবে এই আন্তর্জাতিক সমঝোতার আসল শক্তি।

সহজ কথায়, মধ্যপ্রাচ্যের নড়বড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে হামলা ঠেকানো ও প্রতিপক্ষকে সামলানোর বার্তা দেয়াই এখন এই তিন রাষ্ট্রের মূল চেষ্টা। কোনো শক্তি যেন এই পদক্ষেপ নস্যাৎ করতে না পারে, সে দিকেই নজর রাখা হচ্ছে।