ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত নোটিশ বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই মসজিদ থেকে মাইক অপসারণের জন্য চাপ প্রয়োগের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার তীব্র আপত্তি ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী হিন্দের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শাখা।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করে।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ঘটনার তীব্র আপত্তি জানিয়ে জামায়াত বলেছে, প্রশাসনের এই ধরনের বেআইনি ও বলপ্রয়োগমূলক আচরণ সংখ্যালঘু সমাজের মধ্যে ক্ষোভ ও শঙ্কার সৃষ্টি করেছে।
জামায়াতের রাজ্য সভাপতি ডা: মসিহুর রহমান বলেন, মসজিদে নামাজ আদায় এবং আজান দেয়া ইসলাম ধর্মের অপরিহার্য অঙ্গ, যা ভারতীয় সংবিধানের প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। শত শত বছর ধরে এ দেশের সংখ্যালঘু মুসলিম সমাজ অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মতো এই ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করে আসছে। সংবিধান সম্মত এই ধর্মাচরণের অধিকার রক্ষা এবং দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো বজায় রাখা সরকারের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য।
তিনি বলেন, পরিবেশ দফতরের দূষণ সংক্রান্ত নিয়মকানুন মেনে মসজিদে নির্ধারিত শব্দমাত্রায় আজান দেয়া হচ্ছে কিনা, প্রশাসন তা খতিয়ে দেখতে পারে, কিন্তু সরাসরি মাইক খুলে নেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
জামায়াতের বিবৃতিতে রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে নির্দেশিকা জারির দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, প্রশাসন যেন আইনবহির্ভূত বলপ্রয়োগ ও ভীতি প্রদর্শন বন্ধ করে সংবিধান ও আইন মেনেই সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সব ক্ষেত্রে সমান নৈতিকতা বজায় রাখে।


