চুক্তির মূল ধারা অনুযায়ী, প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা জোটের মূল তিন রূপকার থাকবে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক। তবে জোটের মূলনীতি মেনে চলতে সম্মত থাকলে ওই অঞ্চলের যেকোনো দেশের জন্য এতে যোগ দেওয়ার পথ খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক ডার।
এর একদিন আগে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও জানান, খুব শিগগিরই মিশর এই চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হতে পারে।
রোববার (৯ আগস্ট) পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্য ডন জানায়, এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তির নাম দেয়া হয়েছে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইশাক ডার ডনকে জানান, এতে স্বাক্ষরকারী যেকোনো একটি দেশের ওপর বহিরাগত আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত বাকি সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। জোটের প্রতিরক্ষার স্বার্থে এক সদস্য আক্রান্ত হলে বাকি দেশগুলো সহায়তায় এগিয়ে আসতে বাধ্য থাকবে।
উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটোর 'অনুচ্ছেদ ৫'-এর আদলে গঠিত এই চুক্তিটি পুরোপুরি আত্মরক্ষামূলক। এটি কোনো সুনির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে গঠন করা হয়নি উল্লেখ করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জোটের সদস্যরা তথ্য আদান-প্রদান, যৌথ সামরিক মহড়া ও আধুনিক প্রযুক্তি সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করবে।
কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানদের নিয়ে একটি যৌথ কমিটি থাকবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরবে জোটের একটি স্থায়ী সচিবালয় স্থাপন করা হবে। এই পদক্ষেপকে অঞ্চলের স্থায়ী শান্তি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।


