ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শুক্রবার প্রথমবারের মতো সরকারি সফরে সার্বিয়া গেছেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পরও মস্কোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা ইউরোপের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের একটি সার্বিয়া।
সফরে দেশটির সাথে নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন জেলেনস্কি।
বেলগ্রেড বিমানবন্দরে জ্বালানিমন্ত্রী দুব্রাভকা জেদোভিচ হান্দানোভিচ জেলেনস্কিকে স্বাগত জানান। পরে তিনি সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচের সাথে নৈশভোজে অংশ নেন।
জেলেনস্কি এক্সে বলেন, ‘আমরা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক, উভয় দেশের জন্য উপকারী অন্যান্য বিষয় এবং নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করব।’
ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এই পদক্ষেপটি ইইউ-কে ক্ষুব্ধ করেছে এবং জোটটিতে বেলগ্রেডের যোগদানের পথকে মন্থর করেছে।
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, শনিবার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ভুচিচ ও জেলেনস্কির মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে। পরে তারা গণমাধ্যমের সামনে বক্তব্য দেবেন।
সফরের আগে ইউক্রেনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ‘সার্বিয়াকে রাশিয়ার পক্ষ থেকে দূরে সরিয়ে আনা।’ তবে মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা না দেয়ার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন না বলে জানিয়েছেন ভুচিচ।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে ভুচিচ বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, ভলোদিমির জেলেনস্কি তার অবস্থান ও চলমান সংগ্রামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে রুশ ফেডারেশনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিজের মতামত জানাবেন। তবে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে সার্বিয়া এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে এবং এরপর তা পরিবর্তন করেনি।’
তিনি বলেন, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই অবস্থানই বহাল থাকবে।’
সূত্র : বাসস


