আগামী মাসে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতি সামরিক জোটটির স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।
বুধবার (১০ জুন) ক্ষমতাসীন একে পার্টির (একেপি) আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে এরদোগান বলেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন এই ঘোষণা জোটের স্থিতিশীলতার দৃষ্টিকোণ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’
গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেন, ট্রাম্প ৭-৮ জুলাই তুরস্কের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলনে অংশ নেবেন। ট্রান্সআটলান্টিক এই জোটের প্রতি ওয়াশিংটনের উদ্বেগের মধ্যেই এ ঘোষণা আসে।
রুবিও মার্কিন আইনপ্রণেতাদের বলেন, ‘আমরা এখনো ন্যাটোর সদস্য। তবে ন্যাটোর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন প্রয়োজন।’ তিনি ৩২ সদস্যবিশিষ্ট জোটের এই সম্মেলনকে সম্ভবত ন্যাটোর ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বলে অভিহিত করেন।
এরদোগান বলেন, ‘আঙ্কারা সম্মেলনকে ন্যাটোর ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে গড়ে তুলতে তুরস্ক তার প্রস্তুতি জোরদার করেছে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে জোটের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে পড়ে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ওই যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানায়। তুরস্কও যুদ্ধের বিরোধিতা করে এবং সঙ্ঘাতের অবসান ঘটাতে সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায়।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেয়ায় স্পেনের সমালোচনা করেন রুবিও।
তিনি বলেন, ‘এই জোটের কিছু সদস্য মূলত ওই ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের সুযোগই দিচ্ছে না।’ তার মতে, এটি পুরো বিষয়টিকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।
সূত্র : বাসস



