নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ২৫টি কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেছেন। অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি আপনাদের আত্মবিশ্বাসের সাথে বিনিয়োগ করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গড়ে তুলতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আসুন আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ করি এবং আপনাদের কোম্পানিগুলোর সমৃদ্ধ উপস্থিতি নিশ্চিত করি। সে জন্য আমার সরকার আপনাকে সর্বতোভাবে সমর্থন করতে প্রস্তুত।
ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কোম্পানি ‘এক্সিলারেট এনার্জি’র এক্সিকিটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ওলিভার সিম্পসন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ খাত নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন উপ প্রেস সচিব।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন বলেন, এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ কোম্পানির কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। এই কোম্পানিগুলো হচ্ছে, ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল, ইউএস চেম্বার অব কমার্স, এক্সিলারেট এনার্জি, শেভরন, মেটা বা ফেসবুক, ভিএফ কনপোরেশন, ইউএস সোয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল, মেট লাইভ, বোয়িং, উবার, অ্যাপেল, এশিয়া গ্রুপ, এপিআর এনার্জি, জিই ভারনুভা, ভিএফ করপোরেশন, করটিভা অ্যাগ্রি সায়েন্স, সেলফ সোর্স, ফুলকাসেমি, পাঠাও, সিসকো, রবার্ট, মেট্রো ট্র্যাক, এইচএসবিসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক, অ্যাংকর লেস এবং ড্রিংক ওয়েলÑ এই ২৫টি কোম্পানি থেকে আজকে টপ লিডারশিপ এসেছেন।
বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মাহাদী আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমি বুঝতে পারছি যে, আমাদের দেশ যে সুযোগগুলো দিতে পারে তা অন্বেষণ করতে আপনাদের অনেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছেন। আমি আশা করি, আপনাদের এই সফর আমাদের সম্ভাবনা সম্পর্কে আপনাদের একটি সুস্পষ্ট ধারণা দেবে। আমরা আপনাদের পুঁজি, প্রযুক্তি, দক্ষতা এবং বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে স্বাগত জানাই। আমরা আপনাদের সাফল্যকে সহজতর করতে এখানে আছি এবং এটাই আপনাদের প্রতি আমার ব্যক্তিগত অঙ্গীকার।
বিনিয়োগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে; কিন্তু আমাদের উল্লেখযোগ্য শক্তিও আছে। আমাদের একটি বৃহৎ ও ক্রমবর্ধমান বাজার, একটি তরুণ ও পরিশ্রমী জনগোষ্ঠী এবং একটি কৌশলগত অবস্থান রয়েছে। আমাদের সরকার নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ, ব্যবসাবান্ধব বাজেট এবং উদার অর্থনৈতিক ও রাজস্ব নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, অনুগ্রহ করে আমাদের সরকারকে আপনার অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করুন। আমরা শুনতে, সাড়া দিতে এবং সহায়তা করতে এখানে আছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, আমদানি-রফতানি সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিন্ন বৃহত্তর কৌশলগত স্বার্থের সাথে আমাদের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে সমন্বিত করতে চাই। আমাদের সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
গণিত অলিম্পিয়াডের বিজয়ীদের সাক্ষাৎ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে গণিত চর্চা ও গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করতে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা প্রদান করা হবে।
গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড (আইএমও) এবং ইউরোপীয় বালিকা গণিত অলিম্পিয়াডের (ইজিএমও) বিজয়ী বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে পদকজয়ী শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং গণিত অলিম্পিয়াডে তাদের অংশগ্রহণ, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরো সাফল্য অর্জনের জন্য শুভ কামনা জানান।
এ সময় বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরো বিস্তৃত ও কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। স্কুলশিক্ষকদের গণিত দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাইয়ের আইইএলটিএস পরীক্ষার আদলে একটি পৃথক গণিত দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা চালুর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডের জাতীয় কোচ মাহবুবুল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ বালিকা গণিত ফাউন্ডেশনের চেয়ার প্রফেসর সাদিয়া হামিদ কাজী এবং বাংলাদেশ ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্য মো: আব্দুল হাকিম খান।
আরো উপস্থিত ছিলেনÑ পদকজয়ী মনামী জামান, মো: রায়হান সিদ্দিকী, জাওয়াদ হামীম চৌধুরী, মোহাম্মদ মারজুক রহমান, তাহসিন খান, এম জামিউল হোসেন, সাজি সেহনাই।
রাজশাহীর নেতাদের সাথে বৈঠক : রাজশাহী বিভাগের বিভাগের জেলা নেতাদের সাথে বৈঠক করেছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই বৈঠকে হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, রাজশাহী বিভাগ, জেলা মহানগরের নেতৃবৃন্দের সাথে সাংগঠনিক বিষয়াদি নিয়ে দলের চেয়ারম্যান বৈঠকে করেছেন। এটা ধারাবাহিক বৈঠক। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের সাথে বৈঠক করছেন। এটা তার ধারাবাহিক বৈঠক।
বৈঠকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুসহ রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার শুরু হচ্ছে মৎস্য প, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
দেশে মাছের উৎপাদন এখন ৫১ লাখ টন ছাড়িয়েছে। মাথাপিছু দৈনিক মাছের প্রাপ্যতা ৬৭ দশমিক ৮০ গ্রাম। জাতীয় পুষ্টিচাহিদার তুলনায় যা ৭ দশমিক ৮০ গ্রাম বেশি। ইলিশ আহরণেও বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। এমন এক প্রেক্ষাপটে আগামী রোববার থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় মৎস্য প-২০২৬। এবারের আয়োজনে ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণপদক)। ‘রুপালি মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ পরে মাধ্যমে মৎস্যসম্পদ সংরণ, নিরাপদ মাছ উৎপাদন ও জেলেদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
গতকাল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, জাতীয় মৎস্য পরে কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামী রোববার কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় মৎস্য প-২০২৬-এর উদ্বোধন ঘোষণা এবং পদক বিতরণ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত সচিব ইমাম উদ্দীন কবির, অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনকসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টিতে মৎস্য খাতের অবদান দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে জাতীয় জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে ২২ দশমিক ০৩ শতাংশ। প্রত্য ও পরোভাবে প্রায় দুই কোটি ছয় লাখ মানুষ এ খাতের সাথে যুক্ত, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী রয়েছেন। খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য খাত অন্যতম প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠেছে।
আন্তর্জাতিক পরিসরেও বাংলাদেশের মৎস্য খাতের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (ঋঅঙ) ‘ঞযব ঝঃধঃব ড়ভ ডড়ৎষফ ঋরংযবৎরবং ধহফ অয়ঁধপঁষঃঁৎব ২০২৬’ প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় এবং বদ্ধ জলাশয়ে চাষের মাছ উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। ইলিশ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম, তেলাপিয়া উৎপাদনে অষ্টম, ক্রাস্টেশিয়ান আহরণে ষষ্ঠ এবং উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ লাখ ১১ হাজার ৫৫২ জন। এর মধ্যে ইলিশ আহরণকারী ছয় লাখ ৫০ হাজার ২৫১ জন, হাওরাঞ্চলের দুই লাখ ৮৫ হাজার ৬৪৮ জন এবং সমুদ্রগামী জেলে তিন লাখ ২৫ হাজার ২১১ জন।
মন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাছ ধরতে গিয়ে নিহত ২৬ জন জেলের পরিবারকে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা এবং নিখোঁজ ১৩ জন জেলের পরিবারকে একই পরিমাণ অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। অম একজন জেলেকেও ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া এক হাজার ২৯৫ জন উপকারভোগীকে হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, সবজি বাগান ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।
মৎস্য খাত নিয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এর মধ্যে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরের ইজারা প্রথা বিলুপ্ত করে ‘জাল যার, জলা তার’ নীতির ভিত্তিতে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। একই সাথে চিংড়ির একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা এবং বিদেশের সুপারশপগুলোতে মানসম্মত চিংড়ি সরবরাহের ব্যবস্থা সহজ করার মাধ্যমে রফতানি আয় বাড়াতে সমন্বিত পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।


