ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় পৃথক প্রশ্নপত্র সমান প্রতিযোগিতা নিয়ে শঙ্কা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র করার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা ভিন্ন কারিকুলামে পড়াশোনা করে। তাই তাদের জন্য আলাদা প্রশ্ন হলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ বাড়বে। তবে শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি অংশের প্রশ্ন, একই ইউনিটে ভর্তি হতে হলে দুই ধরনের প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে সবার জন্য একই মেধাক্রম ও সমান প্রতিযোগিতা কীভাবে নিশ্চিত হবে?

Printed Edition

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র করার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা ভিন্ন কারিকুলামে পড়াশোনা করে। তাই তাদের জন্য আলাদা প্রশ্ন হলে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ বাড়বে। তবে শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি অংশের প্রশ্ন, একই ইউনিটে ভর্তি হতে হলে দুই ধরনের প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে সবার জন্য একই মেধাক্রম ও সমান প্রতিযোগিতা কীভাবে নিশ্চিত হবে?

২ আগস্ট ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও সময়সূচি প্রকাশের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জানায়, বিজ্ঞান ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র করা হবে। এর আগে জুলাইয়ের শুরুতেই এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তখন বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছিল, প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটিতে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর। আবেদন শেষ হবে ২৫ নভেম্বর। বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১২ ডিসেম্বর। এ ইউনিটে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ফার্মেসি, পৃথিবী ও পরিবেশবিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিসহ কয়েকটি অনুষদ ও ইনস্টিটিউটে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

কেন আলাদা প্রশ্নপত্র?

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা জাতীয় শিক্ষাক্রমের বাইরে ভিন্ন কারিকুলামে পড়াশোনা করে। ফলে বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি প্রশ্নে তাদের ভাষাগত ও কারিকুলামগত সমস্যা হতে পারে। এ কারণে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের সুযোগ সহজ করতেই আলাদা প্রশ্নপত্রের চিন্তা করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের ব্যবস্থা একেবারে নতুন নয়। ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আগে থেকেই আলাদা ভাষার প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে বাংলা অংশের বদলে তাদের ইংরেজিতে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। তবে বিজ্ঞান ইউনিটে পুরো কারিকুলাম অনুযায়ী আলাদা প্রশ্নপত্র করার সিদ্ধান্ত বড় ধরনের পরিবর্তন বলছেন বিজ্ঞরা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আলাদা প্রশ্নপত্র করে কাউকে বাড়তি সুবিধা দেয়ার উদ্দেশ্য নেই। দুই ধারার শিক্ষার্থীর কারিকুলামের পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে সমান সুযোগ তৈরি করাই এর লক্ষ্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম বলছেন, বৈষম্য তৈরি নয়, বৈষম্য দূর করতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, দু’টি আলাদা প্রশ্নপত্র হলে সেগুলোকে একই মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হবে কীভাবে?

সমান প্রশ্ন, নাকি সমমানের প্রশ্ন?

ভর্তি পরীক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মেধাক্রম। একই আসনের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের একসাথে প্রতিযোগিতা করতে হয়। তাই প্রশ্নের কঠিনতা, বিষয়বস্তুর গভীরতা, প্রশ্নের ধরন ও নম্বর বণ্টনে সামান্য পার্থক্য হলেও মেধাক্রমে তার প্রভাব পড়তে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম তালুকদার বলেন, বিষয়টি তাদের একাডেমিক কমিটিতে আলোচনা হয়েছিল। সেখানে আলাদা প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে জাতীয় ও ইংরেজি মাধ্যমের পাঠ্যক্রম মিলিয়ে প্রশ্ন তৈরির সুপারিশ করা হয়েছিল। তার মতে, আলাদা প্রশ্নপত্র হলে দুই পক্ষের মধ্যে সমান প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং প্রশ্নের মান একই রাখা কঠিন হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মুজিবুর রহমানও দু’টি প্রশ্নপত্রে বৈষম্যের আশঙ্কা দেখছেন। তার মতে, উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা যে মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে, তার ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে একটি অভিন্ন প্রশ্নপত্র করতে পারে।

তবে একই ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মামুনুর রশীদ বিষয়টিকে পুরোপুরি নেতিবাচকভাবে দেখছেন না। তার মতে, শেষ পর্যন্ত প্রশ্নপত্র তৈরির নীতিমালার ওপর নির্ভর করবে এই ব্যবস্থা বৈষম্য তৈরি করবে, নাকি সাম্য নিশ্চিত করবে।

নিয়ম হওয়ার আগেই সিদ্ধান্ত?

বিতর্কের আরেকটি বিষয় হলো সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিষয় ও শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তে একাডেমিক কাউন্সিলের ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞান ইউনিটে আলাদা প্রশ্নপত্রের সিদ্ধান্ত প্রথমে সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় নেয়া হয়েছে- এমন তথ্য প্রকাশের পর প্রশ্ন উঠেছে, বড় ধরনের একাডেমিক নীতি নির্ধারণের আগে যথাযথ ফোরামে বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছিল কি না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রো ভিসিরাও কয়েকজনও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে একাডেমিক কাউন্সিলে বিষয়টি আলোচনা করা উচিত। এরপর ভর্তি কমিটি তা বাস্তবায়নের পদ্ধতি ঠিক করতে পারে।

তবে প্রো ভিসি আবদুস সালাম জানান, ডিনস কমিটির সুপারিশের পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে এগিয়েছে। পরে একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নেয়া হবে। তার যুক্তি, সময় ও বাস্তবতার কারণে কিছু সিদ্ধান্ত আগে নেয়া হলেও পরে সংশ্লিষ্ট ফোরামের অনুমোদন নেয়া যেতে পারে।

মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের কী হবে?

ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্রের সিদ্ধান্তের পর মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের বিষয়টিও সামনে এসেছে। তাদেরও নিজস্ব পাঠ্যক্রম রয়েছে। তা হলে ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন হলে অন্য শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীরাও একই দাবি তুলবে কি না এ প্রশ্নও উঠছে।

এর সাথে জাতীয় পর্যায়ের সাম্প্রতিক শিক্ষানীতির বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ২০২৭ সাল থেকে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আবশ্যিক ও সাধারণ বিষয়গুলোর পরীক্ষা একই দিনে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের যুক্তি, অভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থার বৈষম্য কমানো সম্ভব।

জাতীয় পর্যায়ে যখন বিভিন্ন ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য অভিন্ন মানদণ্ড তৈরির উদ্যোগের কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আলাদা প্রশ্নপত্রের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়াকে স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকে।

ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের সমস্যাও আছে

বিশেষজ্ঞদের মতামত, তবে আলাদা প্রশ্নপত্রের বিরোধিতা করলেই ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের সমস্যাকে অস্বীকার করা হয় না। তাদের পাঠ্যক্রম, বই, পরীক্ষার ভাষা ও বিষয় উপস্থাপনের ধরন জাতীয় শিক্ষাক্রমের চেয়ে আলাদা। দীর্ঘদিন ইংরেজিতে বিজ্ঞান পড়ার পর হঠাৎ বাংলা ভাষায় প্রশ্নের মুখোমুখি হলে ভাষাগত সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এ কারণে একটি সমাধান হতে পারে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান যাচাইয়ের প্রশ্ন দুই মাধ্যমের জন্য সমমানের রাখা এবং প্রয়োজন হলে ইংরেজিতে উত্তর দেয়ার সুযোগ দেয়া। এতে ভাষাগত সমস্যা কমার পাশাপাশি মেধাক্রমও অভিন্ন রাখা সম্ভব হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিনও এমন একটি সমন্বিত পদ্ধতির কথা বলেছেন। তার প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে দুই প্রশ্নপত্রে কিছু অভিন্ন প্রশ্ন রাখা। পরে সেসব প্রশ্নের ফলাফল পরিসংখ্যানগতভাবে বিশ্লেষণ করে দুই গ্রুপের পারফরম্যান্সের পার্থক্য বের করা। এতে আলাদা প্রশ্নপত্র থাকলেও প্রশ্নের মান ও মূল্যায়নে বৈজ্ঞানিক সমতা আনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ মেধাক্রম নিয়ে

শিক্ষার্থীদের একটি অংশের মূল উদ্বেগ আসনসংখ্যা নয়, মেধাক্রম নিয়ে। তাদের প্রশ্ন, একটি প্রশ্নপত্রে যদি অনেক বেশি শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় আর অন্যটিতে তুলনামূলক কম শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়, তাহলে দুই গ্রুপের ফলাফল কিভাবে একই মেধাতালিকায় আনা হবে?

অন্য দিকে ভিন্ন যুক্তিও রয়েছে। ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ওপর জাতীয় শিক্ষাক্রমের প্রশ্নপত্র সরাসরি প্রয়োগ করা হলে ভাষা ও কারিকুলামের কারণে তারা পিছিয়ে যেতে পারে। সেটিও এক ধরনের বৈষম্য।

অর্থাৎ বিতর্কের মূল বিষয় শুধু ‘আলাদা প্রশ্ন’ নয়। মূল প্রশ্ন হলো, আলাদা প্রশ্নপত্রের পরও সবার জন্য অভিন্ন প্রতিযোগিতার পরিবেশ কীভাবে নিশ্চিত করা হবে।

সিদ্ধান্তের আগে দরকার স্পষ্ট নীতিমালা

শিক্ষাবিদরা বলছেন এখন সবচেয়ে বড় ঘাটতি হলো বিস্তারিত নীতিমালার অভাব। ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের আবেদনযোগ্যতা কী হবে, তাদের জন্য আলাদা আসন থাকবে কি না, দু’টি প্রশ্নপত্রের নম্বর কিভাবে সমন্বয় করা হবে, প্রশ্নের কঠিনতা কিভাবে যাচাই হবে এবং মেধাক্রম কিভাবে তৈরি হবে এসব বিষয়ে স্পষ্ট নিয়ম না থাকলে বিতর্ক আরো বাড়তে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আগের অভিজ্ঞতাও বলে, যোগ্যতা ও মূল্যায়নের নিয়ম স্পষ্ট না থাকলে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তিব্যবস্থায় বিজ্ঞান ইউনিটের জন্য আলাদা ভর্তি যোগ্যতা, সমতা নিরূপণ ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত নিয়মের কাঠামো রয়েছে।

ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র করার উদ্দেশ্য যদি সত্যিই সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়, তাহলে এটি চালুর আগে স্বচ্ছ ও পরিমাপযোগ্য নীতিমালা দরকার। একই সাথে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী কোন ধারায় পড়েছে, সেটিই মূল বিষয় হওয়া উচিত নয়। তার উচ্চশিক্ষার উপযোগিতা, জ্ঞান, দক্ষতা ও মেধা কিভাবে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায়, সেটিই হওয়া উচিত মূল বিবেচনা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থী বাছাইয়ের একটি প্রক্রিয়া নয়। এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সমতা, মেধা ও সুযোগের ধারণারও একটি বড় উদাহরণ। তাই নতুন ব্যবস্থা চালুর আগে গবেষণা, পরীক্ষামূলক প্রয়োগ, বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং স্বচ্ছ নীতিমালা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।