জমজমাট ভোটের মাঠে চোখ

পলিসি সামিটে সুশাসন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য- এই ছয়টি বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। এই রূপরেখা থেকে লক্ষ্যগুলো কিভাবে অর্জিত হবে তা হয়তো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। কিন্তু দলটি যে চৌকশ ভঙ্গিতে আয়োজনটি করেছে সেটি অভাবিত এবং সে জন্যই বিস্ময়কর। আমাদের বিশ্বাস, ক্ষমতায় বসে জামায়াত আর কিছু নয়, শুধু যদি দুর্নীতি নির্মূল এবং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সব কর্মকাণ্ডে ন্যায়বিচার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পূরণ করতে পারে, তাহলে বাকি অনেক কাজ সম্পন্ন হতে সময় লাগবে না।

অমুক ভাইয়ের সালাম নিন/তমুক মার্কায় ভোট দিন। আসছে দেশে শুভ দিন/ফুলের পাশে সিল দিন- এমনই নানা বিচিত্র স্লোগানে চলছে নির্বাচনী প্রচার। শুধু শহরে নগরে না। সারা দেশে, গ্রামে-গঞ্জে, সদরে, প্রত্যন্ত জনপদে চলছে মিটিং মিছিল সমাবেশ জনসংযোগ। নির্বাচনী ডামাডোলে সরগরম হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। মুখর হয়ে উঠেছে পাড়া-মহল্লার রাস্তাঘাট, হাট-বাজার, ক্লাবের আড্ডা, চায়ের স্টল। মনে হচ্ছে, আবার ২০০৯ সালের আগের সেই সময় ফিরে এসেছে। আবার আমরা ভোট দিতে পারব। গত সাড়ে ১৫ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনে যা কখনো পারিনি।

আমাদের ৩০-৩২ বছর বয়সী লাখ লাখ ভোটার আছেন যারা জীবনে কখনোই ভোট দেননি, দেয়ার সুযোগই পাননি। কেন্দ্রে গিয়ে শুনেছেন, আপনার কষ্ট করে ভোট দিতে হবে না, ওটা দেয়া হয়ে গেছে। অনেকে কেন্দ্রে যাওয়ার সাহস পাননি নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবেন কি-না সেই আশঙ্কায়। ভোটাধিকার, ভোটাভুটি, নির্বাচন- সবই নির্বাসনে পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম গণতান্ত্রিক দল আওয়ামী লীগ ও তার বিশ্বসেরা নেত্রী গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা!

তবে এবারের নির্বাচনে একটি বড় ব্যতিক্রম আছে, যা অনেকে হয়তো খেয়াল করবেন না। সেটি হলো- এবার দীর্ঘ ১৭ বছর পর মানুষ আবার তার প্রাণের স্লোগান দিতে পারছে মন-প্রাণ ঢেলে। গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে বলতে পারছে- নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার। এই ধ্বনি দেয়ার অপরাধে কেউ তাদের গলা টিপে ধরছে না, পুলিশ বা কোনো বাহিনী জঙ্গি বলে ধরে পেটাচ্ছে না, গুলি করছে না, কোনো দলের শীর্ষ নেতারা নিজেরই দলীয় নেতার মুখচাপা দিচ্ছে না। কোণঠাসা করছে না, যেমন ঘটেছে পতিত সরকারের সময়ে। এখন কেউ বাংলাদেশ জিন্দাবাদের পরিবর্তে দীর্ঘজীবী হোক বলার হুকুম জারি করছে না। সালামের পরিবর্তে সুপ্রভাত বলে সম্বোধন, আদমশুমারির পরিবর্তে জনগণনা করছে না। মুসলিম অধ্যুষিত এই বাংলাদেশে জনগণের শত শত বছরের চর্চিত মুখের বুলি উচ্চারণে কেউ আপত্তি তুলছে না। কেউ মুখে টেপ লাগিয়ে দেবে- সে ভয় এখন নেই। এবার ইনশাআল্লাহর সাথে মিশে গেছে দাঁড়িপাল্লার ছন্দময় অন্ত্যমিল। পীর-হুজুরের দোয়ার সাথে যোগ হয়েছে সায়েব-সুবার আমিন আমিন ধ্বনি। চব্বিশের পটপরিবর্তনের এটিই অর্জন।

একটি জনগোষ্ঠীর নিজের ভাষার স্বীকৃতি ফিরে পাওয়া। সেই মুসলমানি জবান যা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ইমামতিতে সংস্কৃত ভাষার পালিত কন্যার রূপ নিয়েছিল; কিন্তু পূর্ব বাংলায় কখনো বিলুপ্ত হয়নি, সেটিই আমার আদি ভাষা, আরবি ফারসি তথা মুসলিম ধর্মীয় শব্দভাণ্ডারে সমৃদ্ধ বাংলা- যাকে যাবনি মিশাল ভাষা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই ভাষায় কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছি। এই যাবনি মিশাল ভাষাটি গত ৫৪ বছরে ক্রমেই মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে বৃহৎ প্রতিবেশীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে, আধিপত্যে। আর দেশের ভেতরে বসে এই অপচেষ্টা চালিয়েছে খোদ এক শ্রেণীর যবন, যারা মুখে আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির ধুয়া তুললেও মূলত ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদের পক্ষপুটে ওমে, স্বস্তিতে ঘুমিয়ে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

নির্বাচন এলে দেশে এমনিতেই ধর্মীয় বোলচাল খানিকটা বাড়ে। ধর্মীয় আবেগ কাজে লাগিয়ে ভোট বাগানোর চেষ্টা চলে। প্রার্থীদের কারো মাথায় টুপি ওঠে। হিজাব, তসবিহ, জায়নামাজ ব্যক্তিগত চৌহদ্দি পেরিয়ে বাইরে দর্শনীয় হয়ে ওঠে। তসবিহ হাতে হিজাব পরা নেত্রীর ভক্তিভরে নামাজ আদায়ের ছবিসহ পোস্টার এখনো দেশবাসী সম্ভবত ভুলে যাননি। চলমান নির্বাচনী প্রচারণায়ও এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। টুপির কদর বেড়েছে, মসজিদে পায়ের ধুলা পড়ছে। এগুলো পুরনো রাজনীতির অনুষঙ্গ। মূলত রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের নানা প্রক্রিয়ার অংশ ধর্মের ব্যবহার। কারণ, ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদাররা ভোটের মাঠে ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলেও তাদের দোষ দেয়ার উপায় ছিল না; বরং তারা এমন বয়ান তৈরি করেছিল যে, যারা শুধু ব্যক্তিজীবনে নয়, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় জীবনচর্চায়ও প্রতিনিয়ত ধর্মের একনিষ্ঠ অনুসারী তাদেরকেই ‘ধর্ম ব্যবসায়ী’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর চেয়ে বড় দুর্বৃত্তায়ন আর কী হতে পারে?

ত্রয়োদশ নির্বাচনের ময়দানে আগের সেই চিরচেনা উৎসবমুখর পরিবেশ ফিরে এসেছে, এতেই আমরা স্বস্তি বোধ করি। আশাবাদী হতে চাই, এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশ ও জাতি এমন সরকার পাবে যা হবে বৃহত্তর জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার অনুকূলে, যে সরকার দুর্নীতি দুর্বৃত্তায়নের চক্র ভেঙে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থরক্ষায় হবে সুদৃঢ় এবং অনমনীয়। কোনো বাইরের প্রভাবের কাছে নত হবে না। গোটা দেশবাসীর মতো আমরাও ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটের অপেক্ষায় আছি।

এবারের নির্বাচন সাধারণ নয়। সফল গণবিপ্লবের মধ্য দিয়ে জেগে ওঠা জাতির ভবিষ্যৎ সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অভীষ্টে পৌঁছানোর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এটি। পুরনো রাষ্ট্রব্যবস্থার সব ত্রুটি-বিচ্যুতি, ক্লেদ-আবর্জনা দূর করে একটি সম্পূর্ণ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন-আকাক্সক্ষার বাস্তব রূপ দেয়ার, উপযুক্ত নেতৃত্ব বেছে নেয়ার সময় সমাগত। তাই নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোও সেভাবে আচরণ করবে- এটিই ছিল প্রত্যাশিত। মানুষ ভেবেছিল, সেই পুরনো কামড়া-কামড়ি, মারামারি, সত্য-মিথ্যা অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের রাজনীতির অবসান ঘটবে। দলগুলো সুস্থ স্বাভাবিক প্রচারণার মাধ্যমে জনগণের মত জয় করবে এবং একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করবে। আশা করা হয়েছিল, এবার হয়তো আমরা দেখব বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর মতো আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোও এবার জনগণের জন্য তাদের সুনির্দিষ্ট, সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনা জনসমক্ষে তুলে ধরবে। রাষ্ট্রের উন্নয়নে কোন পথে তারা এগোবেন, বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান কিভাবে করবেন, সেসব বিষয়ে তাদের খোলাখুলি বক্তব্য থাকে। এই আশাবাদের সঞ্চার হয়েছিল বিশেষ করে বড় দল বিএনপিকে ঘিরে।

কারণ, সদ্যই দলের শীর্ষপদে আসা তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্রের সূতিকাগার হিসেবে চিহ্নিত যুক্তরাজ্যে বাস করেছেন। সেখানকার নির্বাচনী সংস্কৃতি তার চেয়ে ভালো কারো জানার কথা নয়। তিনি দেশের মাটিতে পা রেখে প্রথম বক্তৃতায় বলেওছিলেন, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্লান।’ পরে একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন; কিন্তু মূল পরিকল্পনা আর সামনে আসেনি। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাপকভিত্তিক সংলাপের মাধ্যমে যেসব সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে সেগুলোর ব্যাপারেও বিএনপির সিদ্ধান্ত নেতিবাচক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো অঙ্গীকার বিএনপির পক্ষ থেকে আসেনি। দলটি গণভোটের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কোনো পক্ষেই অবস্থান নেয়নি। অর্থাৎ- অবস্থা বুঝে ব্যবস্থার নীতি নিয়েছে। সাহস করে বলতে পারছে না, এসব মানি না, নিজেরাই সংস্কার করব। আবার মেনেও নিতে পারছে না। ঠিক যেমনটি ছিল ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময়। আন্দোলনে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী শরিক হলেও দল হিসেবে বিএনপি ছিল না। মানতে কষ্ট হলেও এটিই বাস্তবতা।

জুলাই বিপ্লবে বিএনপির এই সুবিধাজনক অবস্থান ধরে রাখা ইতিহাস ঠিকই লিখে রাখবে। কখনো মুছে যাবে না। এমন দোলাচল রাজনৈতিক দলের জন্য ক্ষয়রোগের মতো। ভেতর থেকে নিঃশেষ করে দেয়। কৌশলগত কারণে বিপ্লবের শক্তিগুলো ৫ আগস্টের বিজয়ের পর বিএনপিকে সামনে রেখেছে। কিন্তু সেই অবস্থা পাল্টে যেতে পারে। তখন দোলাচলের জন্য বিএনপিকে পস্তাতে হতে পারে। জনগণ কেবল শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়ার দল হিসেবে বিএনপিকে ভোট দেবে- এমন দিন যেমন পাল্টে গেছে। পাল্টেছে যে, তা তো জানাই যাচ্ছে সেই জরিপের ফলাফল থেকে, যেটি বাংলাদেশের মূল ধারার মিডিয়া পুরোপুরি ব্লাকআউট করেছে। বালুতে মুখ গুঁজলে কি ঝড় থেমে যায়!

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যে শহীদ জিয়ার অবিচলিত ও খালেদা জিয়ার আপসহীনতার অবস্থান থেকে সরে এসেছে, এমনকি আদর্শগতভাবেও, তা বুঝতে শ্রমসাধ্য গবেষণায় গলদঘর্ম হতে হয় না। স¤প্রতি শেখ হাসিনার অনুপস্থিতি নিয়ে মির্জা ফখরুলের বিস্ময়কর কাতরতা কি সেই বার্তাই দেয় না? এটি সেই রহস্যও ফাঁস করে দেয়, কী কারণে, কাদের গোপন সহায়তায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা সাড়ে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারলেন।

জামায়াতকে একাত্তরেই দেখেছি বলে দলটির শীর্ষ পর্যায় থেকে যেসব মন্তব্য সামনে আসছে, সেগুলো নিছক নির্বাচনের মাঠে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার প্রয়াস- এমন ভাবার সুযোগ নেই; বরং এটিই বিএনপির প্রকৃত অবস্থান। বিএনপির মূল্যায়নে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তারেক রহমান কোথায় কার কাছে কী মুচলেকা দিয়ে দেশে ফিরেছেন, সে বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রোপাগান্ডা মেশিন আনন্দবাজার পত্রিকা কী বলল, না বলল তা নিয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। তবে পরিবেশ-পরিস্থিতি বোঝার জন্য ঘটনা ও রটনার জটপাকানো সুতার জট খোলা জরুরি। আমরা খালি চোখে যা দেখি সেগুলো সরিয়ে-নড়িয়ে বসাতে পারলেই পাজলের প্রত্যাশিত ছবি মিলে যায়। সমস্যা এই যে, ছবিটা কারোর জন্যই সুখকর নয়; বরং বিব্রতকর।

প্রত্যাশা অনুযায়ী তিনবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দল বিএনপি নয়; বরং দেখা গেল, রাষ্ট্রগঠনের রূপরেখা ঘোষণা করছে কথিত অশিক্ষিত, কাঠমোল্লাদের দল সেই জামায়াতে ইসলামী। এই দলটিই প্রথম নির্বাচন সামনে রেখে জাতির সামনে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশের একটি নীতিগত রূপরেখা তুলে ধরেছে। রাজধানীতে সর্বস্তরের বিশিষ্টদের নিয়ে ‘পলিসি সামিট’ করেছে।

পলিসি সামিটে সুশাসন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য- এই ছয়টি বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। এই রূপরেখা থেকে লক্ষ্যগুলো কিভাবে অর্জিত হবে তা হয়তো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। কিন্তু দলটি যে চৌকশ ভঙ্গিতে আয়োজনটি করেছে সেটি অভাবিত এবং সে জন্যই বিস্ময়কর। আমাদের বিশ্বাস, ক্ষমতায় বসে জামায়াত আর কিছু নয়, শুধু যদি দুর্নীতি নির্মূল এবং সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সব কর্মকাণ্ডে ন্যায়বিচার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পূরণ করতে পারে, তাহলে বাকি অনেক কাজ সম্পন্ন হতে সময় লাগবে না।

বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি অবশ্য আগে থেকেই আছে। সমস্যা হলো- এই মুহূর্তে দেশবাসী রাষ্ট্রের আমূল সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত, ৩১ দফা তা ধারণ করে না। কোনো সন্দেহ নেই, নির্বাচনে এসব বিষয় বিবেচনায় নেবে তরুণ ভোটাররা। জুলাই বিপ্লবের পর নির্বাচন ঘোষণার আগ পর্যন্ত বিএনপি যে নেতিবাচক ভাবমর্যাদা অর্জন করেছিল, তা মুছে গেছে- এমন বলার সুযোগ নেই। বিএনপিকে সম্ভাব্য ক্ষমতাসীন দল ধরে নিয়ে অনেকে চুপচাপ পরিস্থিতি দেখে যাচ্ছেন। প্রতিক্রিয়া জানাবেন ভোটের বাক্সে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, নয়া দিগন্ত

mujta42@gmail.com